Posted by: মুস্তাফা সাধ | সেপ্টেম্বর 10, 2009

প্রত্যাশা

[প্রস্তাবনা]

সত্য আর স্বপ্নের পরাজয় দেখে দেখে
ক্লান্ত যখন আমরা, তখনই করছি আশা –

[উৎসরণ ও বিকাশ]

“মানবতার মহান ডাকে, জেগেছে মানবহৃদয় আবার,
যেন মনে-মনে, প্রাণে-প্রাণে তাদের সঞ্চার
আর সঞ্চলনে, ধ্বংসস্তুপ হেসে উঠ্‌বে।
যে অন্ধকার শৃঙ্ক্ষল, কুৎসিত দম্ভ আর ঈর্ষা
পথভ্রষ্ট করছে আমাদের, সেসব যাতনাকে
সত্যাকাশের সত্য সূর্য, নিজ বলে আর স্বৌজে
হটিয়ে দেবে – গড়বে আনন্দ বিশ্ব,
যেখানে থাকবে না কোন আনাচার কোন অন্যায়,
থাকবে শুধুই শান্তি আর শুভ্রতা”

[সিধান্ত, পরামর্শ, উপসংহার]

জেগে ওঠো মানুষ, আর স্বপ্ন নয়, গড় আত্মার বন্ধন
রচনা কর আমানবতার কাফন;
এক হও সব, হাতে হাত ধরে – চল সত্য পথে,
দৃঢ়হস্তে হটিয়ে দাও সব দুঃসহ পর্বত,
দেখ্বে সেখানে অজয় তুমি,
শান্তির বিজয়পতাকা হাতে, মানবতাকে প্রতিষ্ঠিত করেছ,
আর তৈরি করেছ আলোময় মানুষে উদ্ভাসিত
স্বপ্নময় এক মহান জগৎ।

[সংহার]

কাল: কবিতাটি ২০০৩ সালে লেখা এবং ২০০৪ সালে পরিমার্জিত
রচনাবোধ: ইরাক যুদ্ধোত্তর মনোবেদনা
Advertisements
Posted by: মুস্তাফা সাধ | সেপ্টেম্বর 10, 2009

নির্লিপ্ত কবির কবিতা খোঁজা

আকাশে অনেক তারা
কিংবা একটি চাঁদ
অথবা মেঘের আড়ালে ঢাকা সূর্য
নয়ত রৌদ্রের খরতাপে ঠা ঠা পৃথিবী
আর হয়ত রসাল জলাশয়
– এসবের মাঝে কবিতা খুঁজছে
কবি ছদ্মনামবিহীন।

সেই কবি ক্ষুধার্ত নয়ত তৃষ্ণার্ত মনে
বাংলার প্রকৃতির আর মানুষের মাঝে
অনেক ছন্দ খোঁজে, নতুন কিংবা পুরনো ছন্দ
নয়ত নিস্পন্দ ছন্দ।
যেদিকেই তাকায় কবি, কাব্যামৃতরূপ ছন্দসুধার লোভে:
‘হায় ছন্দ কোথায়। এ বাংলা ছন্দহীন?’
যেদিকেই দেখে কবি, অক্ষরব্যঞ্জনার খোঁজে:
‘ছন্দ কোথায় – অক্ষর্বৃত্ত, মাত্রাবৃত্ত;
কোথায় ব্যঞ্জনা, কোথায় দ্যোতনা, কোথায় জীয়নকাঠি?
অমৃত-গরল, দুঃক্ষ-কষ্ট আবেগ – কই?’
কবিতা লিখা হবে কী দিয়ে?

“এই বাংলা সুর-ছন্দোহীন
নিয়ম্শৃঙ্ক্ষলাবিহীন
অধঃপতনের রসাতলে, মন্দন কিংবা ত্বরণ
অথবা বেগ ছাড়া কি অনিয়মে চলেছে”

যেদিকে তাকায় কবি…
কবিতা পায় না,
তার কাছে এ ধরণী কবিতাহীন।

এই দেখে মহাসুর
দেবী কাব্য অধিষ্ঠাত্রী,
বলে –
খোঁজ আত্মমাঝে কবিতা
নির্লিপ্ত হয়ে থেকো না!
হেঃ কবি!
বাজো, বাজো শতদলে ।

কবিতাটি ২০০৪ সালে লেখা হয়, এবং এখানে ৩য় সংস্করন প্রকাশিত হল।

Posted by: মুস্তাফা সাধ | সেপ্টেম্বর 9, 2009

সুলল সংগ্রহ ও কিছু কথা

আমি, খান মুহাম্মাদ নাফী মোস্তফা সাধ, মাঝে মধ্যে বাংলায় দু-এক ছত্র লেখার চেষ্টা করি – কখনা বা মনের আনন্দে, কখনো বেদনা থেকে, কোনো সময় কিছু ভালোলাগা থেকে আবার হয়ত শুধুই কিছু বল্‌তে চেয়ে। এই যে আমার কলম থেকে হঠাৎ হঠাৎ কিছু লেখা বেরিয়ে আসে, আমি মাঝে মধ্যে তার কিছুকে বা গল্প অথবা কবিতা, গদ্য নয়ত পদ্য বলে দাবি করি।
এতটুকু পর্যন্ত সব-ই ঠিক্‌ঠাক্‌ ছিলো, কিন্তু সমস্যা বাঁধল তখনই যখন আমি আপনাদের এইসব অখাদ্য শুনাতে চাইলাম। “হ্যাঁ বাবা ঠিক আছে, শুনাইতে চাইলে শুনাও! তবে ওই গাছের আড়ে গিয়ে…”। হুঃ, কাব্য (কু)চর্চা যারা করে তাদের ভীমরতি কি আর এত সহজে ছাড়ে!? আমি ভাই (বোন), নাছোড়বান্দা – বাঙালি শুনতে না চায় তো কি হইছে! আজকাল কী-সব ব্লগ ট্লগ আছে না? আমিও তাই নিয়ে পড়লাম – একেবারে খোদ ওয়ার্ডপ্রেস-এ… এইবার আপনাদের আর রক্ষা নাই…

যাই হোক, প্রথম লেখায়ই একটা কথা বলে নেই, ‘সুলল’ শব্দটা বাংলা অভিধানে নাই, শব্দখানা এই নধর সাধের উর্বর মষ্তিষ্কজাত : সুললিত {সু+√লল্‌+ত(ক্ত)} এর অনুকরনে সুলল {সু+√লল্‌+অ(অচ্‌)} 🙂
[তথৈবচ] অতঃপর আপনাদের কাছে নিবেদন, আমার লেখা গুলো (নিতান্ত অনিচ্ছা না হলে) আপনারা পড়বেন, আর ভালো লাগলে বলবেন (মন্দ লাগলে পশ্চাতে গালাগাল দিবেন) – আমি শুনতে সদা আগ্রহী!

Posted by: nafSadh | সেপ্টেম্বর 9, 2009

Hello world!

Welcome to WordPress.com. This is your first post. Edit or delete it and start blogging!

ক্যাটাগরিসমূহ